Breaking News
Home / Uncategorized / শাকিব-অপুর মিলনে বুবলির ‘লো প্রেসার’, ১০৩ ডিগ্রি জ্বর ! ·

শাকিব-অপুর মিলনে বুবলির ‘লো প্রেসার’, ১০৩ ডিগ্রি জ্বর ! ·

Loading...

শাকিব-অপুর মিলনে বুবলির ‘লো প্রেসার’, ১০৩ ডিগ্রি জ্বর ! ·
এবারের বৈশাখটা অন্যরকম ভাবেই কেটেছে কেটেছে ঢালিউড কিং শাকিব খান এবং চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের। কারণ শত ঝড়-ঝঞ্জাট অতিক্রম করে এবার তারা ছয় মাস বয়সী পুত্র আব্রাহাম খান জয়কে সঙ্গে নিয়ে বাংলা নববর্ষ পালন করেছেন। এতদিনের ঘটনা বুঝি এখানেই সমাপ্ত… কিন্তু স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে নববর্ষ পালন শেষে নতুন সিনেমা ‘রংবাজ’ এর মহরতে অংশ নিতে গিয়ে শাকিব আবারো জড়িয়ে পড়লেন নতুন ঘটনায়। হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় আরেক আলোচিত অভিনেত্রী শবনম বুবলীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিলো! ঘটনার পিঠে ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে জন্ম দিচ্ছে নতুন ঘটনার।

ছবিঃ সংগৃহীত
শাকিব-অপুর সঙ্গে নানা ঘটনার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন বুবলী। পহেলা বৈশাখের সন্ধ্যায় সন্তান আব্রাহাম খান জয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি পাঁচতারা হোটেলে শাকিব-অপুর মধুর মিলন ঘটে। বৈশাখ উৎযাপনের সময় শাকিব বলেন, ‘এবারের বৈশাখটা অন্যরকম কেটেছে। সন্তানের সঙ্গে বাংলা নববর্ষ পালন করছি, যে এরইমধ্যে মহাতারকা হয়ে গেছে।’

অপর দিকে অপু বলেন, ‘সত্যিই অন্য রকম। গত বছরের অনুভূতি ছিল একরকম। কারণ তখন আমি মা হবো। কাজকর্মও কমিয়ে দিয়েছি। সন্তানের কী হবে, কোন হাসপাতাল হলে ভালো হয়, এসব নিয়ে চিন্তা ছিল। এখনতো আমি মা। অনেক বেশি হালকা লাগছে।’

একদিকে যখন এই ঘটনা। অন্যদিকে চলছে নতুন ছবি ‘রংবাজ’ এর মহরতের প্রস্ততি। সেখানে গিয়ে সবকিছু যখন ঠিক চলছিলো তখনি বিনা মেঘে বজ্রপাত। হঠাৎ করে গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন বুবলী! তাকে ভর্তি করাতে হয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে।

বুবলীর বড় বোন নাজনীন মিমি জানান, ‘কয়েকদিন ধরেই বুবলি অসুস্থ। গত ৩দিন থেকে বুবলীর জ্বর। মহরতে যাওয়ার আগে ওষুধ খেয়েই গিয়েছিল। কিন্তু ফেরার পথে শরীর অনুকূলে রাখতে পারেনি।প্রেসারও কমে গেছে।’

ইউনাইটেড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ‘মেকাপরত’ অবস্থাতেই জরুরি বিভাগের ভর্তি হন বুবলী। তার একহাতে স্যালাইন চলছে। বুবলীর আত্মীয় সুইটি বলেন, ‘জ্বর কিছুক্ষণ আগেও ১০৩ ডিগ্রি ছিল। এখন ১০২ ডিগ্রিতে নেমেছে। এখন তাকে জেনারেল বেডে নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুজন বলেন, ‘প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে বুবলী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ভাইরাস জ্বর হতে পারে তবে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছেনা।’

তবে এর আগে চিত্রনায়ক শাকিব খানও রাজধানীর ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে এসে ‘রংবাজ’ ছবির মহরতে অংশ নেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময় বিকাল পৌনে ছয়টায় তাকে দেখতে বোরকা পরে সেখানে গিয়েছিলেন অপু। এ সময় তার সঙ্গে ছিলো ছেলে আব্রাহাম খান জয়।

শাকিবকে দেখতে গিয়ে অপু বলেন, শাকিব ভালো আছেন। দুশ্চিন্তা করার মতো কিছু হয়নি। এসময়ে দু’জনের মধ্যে কি কথা হয়েছে জানতে চাইলে অপু বলেন, ‘আমি সব মিলিয়ে ১০-১৫ মিনিটের মতো কেবিনে ছিলাম। এ সময় ডাক্তার-নার্সদের আনাগোনা ছিল। আব্রাহাম গিয়েই ওর বাবার কোলে বসে খেলায় মেতে ওঠে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে তার কাছে শাকিবের সুস্থতা জরুরি, অন্যকিছু নয়।’ দেশবাসীর কাছে এজন্য দোয়াও চেয়েছেন তিনি। অপর দিকে তাঁদের সংসার নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় বুবলীকে ‘পাগল’ বলে অভিহিত করেন অপু বিশ্বাস।

এ প্রসঙ্গে অপু এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আমার স্বামীর পরিচয়, তিনি একজন হিরো এবং স্টার। তার প্রফেশন লাইফে ফ্যামিলি হস্তক্ষেপ করবে এটা কখনোই আমি চাইনি। এখনো চাচ্ছিনা। শাকিবতো অনেক অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করেছে। বুবলী কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু মেয়েটা সবসময় আমাদের পারিবারিক বিষয়ে ঢুকে যায়। সমস্যাটা এখানে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী, সন্তান নিয়ে যখন কথা বলছি তখন তার স্ট্যাটাস দেয়ার কি দরকার ছিল? বুবলী যদি আমাদের সাথে থেকে স্টার হতে চায় হোক না। এমন সময় সামনে আসতেই পারে যেদিন আমি, শাকিব কাজ করবো সেও আমাদের সঙ্গে কাজ করবে।’

‘বুবলী সবসময় আমাদের পারিবারিক বিষয়ে নাক গলিয়ে যাচ্ছে। এটা হাস্যকর। আমার কাছে মনে হয় মেয়েটার মাথা ঠিকঠাক নেই। একবার আমিতাকে ওয়ার্নিংও দিয়েছি। ও মনে হয় ভুলে গেছে আমি শাকিবের স্ত্রী।’, বলেন অপু।

এ অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘শাকিব কিন্তু স্বীকার করেছেন সে আমার কথা মেনেই কাজ করছেন। এখন উপায় নেই কারণ আমি ফ্যাট। আর বাচ্চাটা অনেক ছোট। তাই বাধ্য হয়ে শাকিবের অন্যদের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। এতে আমার আপত্তি নেই। থাকার কথাও না। আমি শুধু বুবলীকে একটা কথা বলতে চাই, সে যেন ভবিষ্যতে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনোরকম নাক না গলায়।’

অপু বলেন, ‘বুবলী পাগল, আমার স্বামীর জন্য পাগল, এজন্য আমি অনেক খুশি। শাহরুখ খানের স্ত্রী যেমন খুশি, তার স্বামীর জন্য অনেকে পাগল, আমি তেমনি খুশি আমার স্বামীর জন্য বুবলী পাগল। আমি গর্ববোধ করি, আমার স্বামী একজন সুপারস্টার। তার জন্য মেয়েরা পাগল হবে এতেই আমি খুশি।’

এদিকে হাসাপাতালের বিছানায় শুয়ে শাকিব খান বলেন, ‘আমি অপুর জন্য অনেক কিছু করেছি। বছরের পর বছর অন্য হিরোইনদের সঙ্গে কাজ না করে তার বিপরীতে টানা কাজ করেছি। বছরে ১০-১২টি ছবি পর্যন্ত একসঙ্গে করেছি। হঠাৎ এমন একটা ঘটনা আমার মাথা নষ্ট করে দিয়েছে। টিভিতে লাইভ দেখার পর প্রথমদিনই আমার বিষয়গুলো ক্লিয়ার করা উচিত ছিল।’

অপুর সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে শাকিব বলেন, ‘ভালো আছি এখন আমরা। আমাকে হাসাপাতালে আজও থাকতে হবে। এরপর আমিও বাসায় যাব, অপুকেও শিগগিরই বাসায় নিয়ে যাব।’

এ সময় শাকিবের কন্ঠে অপুর প্রতি রাগ বা অভিমানের কিছু কথা উচ্চারিত হয়। যেমন- তিনি বলেন, ‘গত নয় বছর অপুকে আমি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শেল্টার দিয়ে টেনেছি। কাজ করতে গিয়ে আমাকে অসংখ্যবার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে-কেনো অপু বিশ্বাসকে জুটি করে ছবি? তখন আমি ম্যানেজ করে একের পর এক ছবিতে অপুকে নিয়ে কাজ করেছি। আর অপু টিভি লাইভে গিয়ে যা করেছে তা সবই সাজানো। এসবই ছিল কারো শিখিয়ে দেয়া। পাশে লোকজন সব সেট করা ছিল বলে আমার মনে হয়েছে। পুরোটা একটা প্ল্যান ছিল। এ ঘটনার পর প্রথম দিন আমার সাংবাদিকদের ফোন ধরাই উচিত হয়নি। আমি ভারতে শো করে এসেছিলাম। দুইরাত ঘুমায়নি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই টিভিতে দেখি এই কান্ড।’

এখন অপুকে নিয়ে কি ভাবছেন এমন প্রশ্নের জবাবে শাকিব খান বলেন, আমি চাই অপু এখন থেকে শুধুই সংসার করুক। সিনেমা করার এখনতো তার দরকার নেই। যে ছবিগুলোর কাজ বাকি আছে সেগুলো শেষ করে দিব। এসব ঘটনার কারণে তার ক্যারিয়ারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ভয় আছে কিনা জানতে চাইলে উদাহরণ টেনে শাকিব খান বলেন, ‘বলিউডে সালমান খানকে নিয়েও তো কম ঘটনা হয়নি।আমার বিশ্বাস, ভক্তরা আমার সঙ্গে ছিল এবং থাকবে। কিছু বিবেকবান মানুষ আছে তারা ফেসবুকে এ ঘটনার পর ভালো কিছু পোস্ট করেছেন। তারা বলেছেন, এখন কেনো, এতদিন অপু এসব করলেন না কেনো। আর আমি আমার সন্তান আব্রাহাম কখনই মিডিয়াতে কাজ করুক তা চাইবোনা। আমি চাই অপু বাচ্চাকে ভালোভাবে দেখাশুনা করুক।’

ফিরে যাওয়া যাক শাকিব-অপুর ঘরবাঁধার ইতিহাসে…

২০০৬ সালে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের রুপালি পর্দায় একসঙ্গে পথচলা শুরু হয়। আর এর দুই বছর পরই দু’জন গোপনে বিয়ে করেন। এফ আই মানিকের ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবির মাধ্যমে এক সঙ্গে কাজ শুরু করেন শাকিব-অপু বিশ্বাস। প্রথম ছবিতেই এ জুটি দর্শকের মন কেড়ে নেয়। এরপর একের পর এক হিট ও সুপারহিট ছবি উপহার দেন তারা।

দর্শকের মনের আসনে বসার পাশাপাশি তখন শাকিবের হৃদয়েও জায়গা করে নেন অপু বিশ্বাস। তবে কে কাকে কিভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সে সম্পর্কে অপু বলেন, ‘২০০৮ সালের ১৭ই এপ্রিল আমরা দু’জন সারাদিন আশুলিয়ার প্রিয়াঙ্কা শুটিং স্পটে সোহানুর রহমান সোহানের ‘কথা দাও সাথী হবে’ ছবির কাজ করছিলাম। কাজ শেষে শাকিব আমাকে বলে, তোমার সঙ্গে জরুরি কথা আছে। সন্ধ্যার পর অবশ্যই দেখা করতে হবে। তার মুখ থেকে যে কথাটি শোনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম সেই কথাটি হয়তো শাকিব বলবে এই অনুমান ছিল আমার। এরপর তার কালো হ্যারিয়ার গাড়িতে করে আশুলিয়ার পথ ধরে এগিয়ে চলছি। একটা সময় সে আমাকে বললো, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই এবং সেটা আগামীকাল।’

শাকিবের মুখে এ কথা শুনে অপু নিঃসংকোচে শাকিবের হাতে হাত রাখলেন। এরপর তারা মিরপুরে শাহ আলীর মাজারে যান। সেখান থেকে দোয়া নিয়ে মহাখুশিতে যে যার মতো বাসায় চলে যান সেদিনের মতো। এরপর আসে বিয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

১৮ই এপ্রিল ছিল শুক্রবার। অপু বলেন, তখন আমার বাসা ছিল মিরপুরে। আমার বোন লতা ছিল বন্ধুর মতো। তাকে সবকিছু বললাম। আর মাকে বললাম বিউটি পার্লারে যাবো। তখন মা বলেছিলেন, কখনোতো পার্লারে কাউকে নিয়ে যাস না, আজ একা না গিয়ে দুইবোন একসঙ্গে বের হচ্ছিস কেন? মায়ের প্রশ্নের কোনো জবাব না দিয়েই সকাল সাড়ে ১০টায় ঘর থেকে বের হয়ে যাই।’

কিন্তু বোন লতা বিয়ের কথা জানার পর রেগে আগুন। কারণ, শাকিব ও অপুর ধর্মতো আলাদা। তারপর অনেক বোঝানোর পর বোন রাজি হন। পথে বসুন্ধরা সিটির সামনে থেকে প্রযোজক মামুনকে গাড়িতে তুলে নেন। তার হাতে দুটি মালা ছিল। আর অপুর বোন শাকিবের জন্য ডায়মন্ডের একটি ফিঙ্গার রিং কিনে নিলেন।

অপুর পরনে সেদিন ছিল শার্ট-প্যান্ট। বাসা থেকে তা পরেই বের হয়েছিলেন তিনি। প্রযোজক মামুন মালা ও ডায়মন্ড ফিঙ্গার রিং শাকিবের হাতে তুলে দেন। শাকিব নিজেই পছন্দ করে একটি লেহেঙ্গা কিনে এনেছিলেন। সেই নজর কাড়া লেহেঙ্গা পরেই বিয়ে করেন অপু। নায়কের পরনে ছিল সাধারণ পাজামা-পাঞ্জাবি।

বিকাল সাড়ে ৩টায় শাকিবের গুলশানের বাসায় বিয়ে হয় দু’জনের। শাকিবের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে কাজী আনেন তার চাচাতো ভাই মনির। কাজী বিয়ে পড়ানোর আগে অপুর ধর্ম পরিবর্তনের কথা বলেন। এরপর অপুর নাম পাল্টে লেখা হয় অপু ইসলাম খান। আর এ বিয়েতে উকিল বাবা হিসেবে ছিলেন প্রযোজক মামুন। শাকিবের চাচাতো ভাই মনির ছিলেন বিয়ের সাক্ষী। সেদিনের পর থেকে শুরু হয় শাকিব ও অপুর নতুন পরিচয়। কিন্তু বাসায় ফেরার পর অপুর মায়ের মনে নানা কারণে প্রশ্ন জাগে।

একদিন শুটিং স্পটে গিয়ে অপু শাকিবের সঙ্গে আলাদা কোথাও যেতে চাইলে তার মা বাঁধা দেয়। পরে অপু সবখুলে বলার পর তার মা বাধ্য হয়েই সব মেনে নেন। বিয়ের এক বছর পর মিরপুরে অপুর বাসায় শাকিবের বাবা-মা, অপুর মা, বোন, ভগ্নিপতিসহ আরো কয়েকজন মিলে একটি ঘরোয়া পার্টি করেন। সেখানে অপুর মা সব রান্না করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কিভাবে সংসার করতেন শাকিব ও অপু?

অপু জানিয়েছেন, তিনি কিছুদিন নিজের বাসা, আবার কিছুদিন শাকিবের বাসা এভাবেই থাকতেন। শাকিবের বাসায় যেন কেউ না দেখে তাই অনেক রাতে যেতেন। এভাবেই চলেছে তাদের সংসার। কিন্তু তারা কখনো হানিমুনে যাননি। শুটিংয়ে বিভিন্ন দেশে গেলেও হানিমুন নিয়ে আফসোস রয়েছে তাদের। কিন্তু এরপর দুঃখের অংশ শুরু। বাচ্চা গর্ভে আসার পর একটি মেয়ের যে আনন্দ থাকে তা অপুর মধ্যে ছিল না। শাকিবের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে কলকাতার একটি হাসপাতালে নিজে বন্ডে সাইন দেয়ার পর সিজার হয় অপুর।

২০১৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর শাকিব ও অপুর ঘরে আসে একমাত্র পুত্রসন্তান আব্রাহাম খান জয়। তারপরও শাকিব এখবর অপুকে গোপন রাখতে বলেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, ‘দুজনের ক্যারিয়ারের স্বার্থে সন্তান ও বিয়ের কথা গোপন রাখা হয়েছিল। প্রযোজকরা যখন জানতেন আমরা বিবাহিত তখন আমাদের জুটি করে আর ছবি বানাতে আগ্রহী হতেন না।’

শেষ পর্যন্ত গত সোমবার (১০এপ্রিল) টিভি লাইভে এসে দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শাকিবের সঙ্গে তার সম্পর্ক সকলের সামনে তুলে ধরেন অপু। এরপর থেকে শাকিব-অপুকে ঘিরে ঘটে চলেছে একের পর এক চমকপ্রদ ঘটনা।

Loading...

About Rezaul Khan

Check Also

অধিক সময় ধরে মিলন করতে চান? জেনে নিন জনপ্রিয় তিনটি পদ্ধতি !!

Loading... অধিক সময় ধরে মিলন করতে চান? জেনে নিন জনপ্রিয় তিনটি পদ্ধতি !! তাছাড়া এক …