Breaking News
Home / আন্তর্জাতিক / সেক্সের পাশাপাশি ভারতের এই আশ্রম একসময়ে ড্রাগের

সেক্সের পাশাপাশি ভারতের এই আশ্রম একসময়ে ড্রাগের

Loading...

সেক্সের পাশাপাশি ভারতের এই আশ্রম একসময়ে ড্রাগেরএকেবারে সাফল্যের মধ্য গগনে থাকাকালীন হঠাৎ বিনোদ খান্না অভিনয় ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন আধ্যত্মিক জগতে৷ স্বাভাবিক ভাবেই অনেকের কৌতূহল রয়েছে কে সেই গুরুদেব কার প্রভাবে তিনি এমন করেছিলেন৷ তিনি হলেন গুরু রজনীশ৷ বিতর্কিত সেক্স গুরু বলে পরবর্তী কালে ইনি পরিচিত হলেও এই রজনীশ প্রথম জীবনে ছিলেন জব্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক৷ তাঁর আসল নাম অধ্যাপক শ্রী চন্দ্রমোহন জৈন৷

প্রথম প্রথম দেখা যেত সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বিনোদ খান্না শ্যুটিং করে সপ্তাহান্তে চলে যেতেন পুণেতে রজনীশের আশ্রমে৷ যা দেখে কিছুটা বিরক্ত হচ্ছিলেন তাঁর সহ-অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজকরা৷ এরপরেই হঠাৎ একদিন সাংবাদিক বৈঠক ডেকে বিনোদ খান্না জানিয়ে দেন তিনি অভিনয়ের জগৎ ছেড়ে আধ্যাত্মিক জগতে চলে যাচ্ছেন৷ তারপর চলে যান রজনীশের আশ্রমে৷ ওই সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে হাজির ছিলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী গীতাঞ্জলি এবং দুই পুত্র৷ শোনা যায় সেই সময় তিনি তাঁর মার্সেডিজ গাড়িটিও বেচে দিয়েছিলেন৷বামেদের কাছে ধর্ম হল আফিম। কিন্তু গুরু রজনীশ ধর্মকে আগাপাশতলা যৌনতার আখড়া গড়ে তুলেছিলেন৷ নিতান্ত সাধারণ চুমাচাট্টি নয় একেবারে সেক্সের অভয়ারণ্য গড়ে তুলেছিলেন এই গুরুজি তাঁর আশ্রমকে৷ এ যেন খোদ ভগবানই সব রকম সেক্সের বন্দোবস্তও করে দিচ্ছে ফলে কামবুভুক্ষু মানুষের সেখানে ভিড় হবে তা বলাই বাহুল্য৷

অপার যৌনতাই ছিল এই গুরুর মুক্তির মূল মন্ত্র। রজনীশ দাবি করেছিলেন ‘আই অ্যাম আ স্পিরিচুয়াল প্লেবয়!’’ প্রথমে ১৯৭০ থেকে ১৯৭৪ মুম্বইতে ছিল তাঁর আশ্রম৷ এর পর সাত বছর পুণেতে ছিল তাঁর আশ্রম। ১৯৮১ সালে এই গুরু রজনীশ অবশ্য পদার্পণ করলেন মার্কিন মুলুকে। সেখানে ওরেগন-এ গড়ে তুললেন তাঁর আশ্রম ‘রজনীশপুরম’।

তখন থেকেই লোকে বলতে লাগল রজনীশের আশ্রম হল যৌনতার মুক্তাঞ্চল। যে কেউ, যার সঙ্গে খুশি, যখন ইচ্ছে হলেই শুতে পারতেন আশ্রমিকরা৷ এমন কথাও শোনা যায়,কেউ চাইলে মাসে নব্বই জনের সঙ্গেও সঙ্গম করতে পারত আশ্রমবাসীরা৷ যদিও এই সব অভিযোগ উঠলেও, হাসিমুখে রজনীশের জবাব ছিল- ‘লেট সেক্স বি আ প্লেফুলনেস, আ ফান।’

তবে শুধু সেক্স নয়, ওই আশ্রম ছিল ড্রাগেরও আড়ত বলে অভিযোগও উঠত। আর ড্রাগ নেওয়ার সপক্ষেও রজনীশকে সওয়াল করতে দেখা যেত৷ তাঁর আশ্রমে সেই সময় এতই ধনকুবেরদের সমাগম হত যে ফুলে ফেঁপে উঠেছিলেন আশ্রমের গুরুও৷ তাঁর ভাণ্ডারে জমা হয়েছিল সেই সময় ৯৩টি রোল্স রয়েস৷

Loading...

About Rezaul Khan

Check Also

মালয়শিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে তালা, ভোগান্তিতে কয়েক হাজার প্রবাসী

Loading... মালয়শিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে তালা, ভোগান্তিতে কয়েক হাজার প্রবাসী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন বেলা গড়িয়ে …