ফ্রিল্যান্সিং

মোবাইল থেকে ফ্রিল্যান্সিং-এর সেরা ১০টি উপায়

#ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায় ?
অনেকেই ভাবেন যে, কেবলমাত্র ল্যাপটপ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব।
কিন্তু, আদতেই এই বিষয়টা সম্পূর্ণভাবে সত্যি নয়।

পৃথিবীতে অনেক অনলাইন সাইট আছে, যেগুলো আমাদের মোবাইল থেকেই কাজ করতে দেয়।

এই সময়ে কম-বেশি সবার হাতেই স্মার্টফোন রয়েছে।
আর, আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা ল্যাপটপের অভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারছেন না।
আসলে তারা কিন্তু চাইলে তাদের মোবাইল থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন।

🔶মোবাইল থেকে ফ্রিল্যান্সিং-এর সেরা ১০টি উপায়ঃ

১. কনটেন্ট রাইটিং:
ডেস্কটপ কিংবা ল্যাপটপের মতো স্মুথলি কাজ করা সম্ভব না হলেও, আপনি আপনার মোবাইলের মাধ্যমেও কনটেন্ট রাইটিং করতে পারবেন।

২. ট্রান্সলেশন:
পৃথিবীর সব মানুষ সব ভাষা জানেন না।
আর, আপনি যদি আপনার ভাষা বা অন্য ভাষার ব্যাপারে পারদর্শী থাকেন,তাহলে আপনি মোবাইল থেকে ফ্রিল্যান্স ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করতে পারেন।

৩. কপিরাইটিং:
কপিরাইটিং-এর কাজ অনেকটা কনটেন্ট রাইটিং-এর মতোই। এখানে আপনার মোবাইলে কোনো টাইপিং অ্যাপ থাকলেই এই কাজ করা যায়।

৪. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট:
সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট হল এমন একটা ফ্রিল্যান্সিং পেশা, যেটা শুরু করার জন্য কোনো বিশেষ সেটআপের প্রয়োজন হয় না।

৫. ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স:
ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স নিশ্চিতভাবেই কম বেতনের কাজ হলেও, এটি আপনার মোবাইল থেকে সহজেই করা সম্ভব।

৬. কাস্টমার সাপোর্ট:
এই অনলাইন দুনিয়ায় প্রায় ছোট-বড় সব কোম্পানিরই তাদের কাস্টমারদের সাথে কথা বলে সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্যে কাস্টমার সাপোর্ট এজেন্সী আছে।

৭. SEO কীওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট:
যেকোনো ইন্টারনেট কন্টেন্টের জন্যে কীওয়ার্ড রিসার্চ করা মোবাইল ফোন থেকেই সম্ভব।
এক্ষেত্রে আপনাকে এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান) সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান ও এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তর ধারণা রাখতে হবে

৮. ভয়েস ওভার:
বিভিন্ন কোম্পানি তাদের নানান প্রজেক্টে ভয়েস ওভার আর্টিস্টদের নিয়ে থাকে। আপনি যদি দক্ষ বাচনভঙ্গির অধিকারী হন, তাহলে আপনি আপনার মোবাইল ব্যবহার করেও ফ্রিল্যান্স ভয়েস ওভার আর্টিস্টের কাজ করতে পারেন।

৯. ভিডিও এডিটিং:
ভিডিও এডিটিং-এর দক্ষতা থাকলে অর্থ আপনি এখান থেকেও আয় করতে পারবেন। বর্তমানে উন্নতমানের স্মার্টফোন ও বিভিন্ন বিনামূল্য ভিডিও এডিটিং অ্যাপের মাধ্যমে সহজে ফোন থেকেই ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব।

১০. গ্রাফিক ডিজাইনার:
এখানে কোনো পেশাদার গ্রাফিক ডিজাইনিং-এর কথা হচ্ছে না। তবে, অনলাইনে প্রচুর এমন ক্লায়েন্ট রয়েছেন, যারা সহজ ডিজাইন করানোর জন্যে ফ্রিল্যান্সিং গ্রাফিক ডিজাইনারদের খুঁজে থাকেন। এখানে তারা নানান ধরণের ডিজাইনিং-এর প্রজেক্ট অফার করতে পারেন, যথা-
*লোগো ডিজাইনিং
*টি-শার্ট ডিজাইনিং
*ফেসবুক কভার ডিজাইনিং ইত্যাদি।

ক্লায়েন্টের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনি সহজেই নানান ধরণের প্রজেক্টও পেতে পারবেন।

উপরিউক্ত পেশাগুলো ছাড়াও, আপনি মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইন টিউশনি, মিডিয়া পার্টনারের কাজ, ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি ও আরও অন্যান্য কাজ করতে পারেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button