ফ্রিল্যান্সিং

মোবাইল দিয়ে যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং করবেন

মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টিকে কিছু মানুষ খুব সস্তাভাবে উপস্থাপন করে। যদি আপনি গুগোল/ইউটিউবে সার্চ দেন মোবাইল দিয়ে কিভাবে আয় করা যায, মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করব ইত্যাদি লিখে যদি সার্চ করেন তাহলে দেখবেন হাজার হাজার রকম ভিডিও সামনে চলে আসবে। এগুলো বেশিরভাগই ভিডিওই কিন্তু spam.

আদৌ কি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব বা এর সত্যতা কতটুকু তা নিয়ে আলোচনা করবো।

ফ্রিল্যান্সিং মানুষ মূলত কি নিয়ে করে? বর্তমানে ডাটা এন্ট্রি এবং এছাড়া এপস ডেভেলপমেন্ট সহ নানা ধরণের কাজ করে থাকেন। এই কাজগুলোর চাহিদাও বেশি তাই অনেকেই এইসব মোবাইল দিয়ে করতে চায়।

এখন একটু ভেবে দেখুন তো, আপনি গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন। ফ্রিল্যান্সিং এর যারা ক্লায়েন্ট, মানে যারা আপনাকে কাজ দিবে, তারা ফাইল ডেলিভারি নিতে চাইবে EPS/ AI/PS ফরমেট এ। এর কোনোটাই আপনি মোবাইল এপস দিয়ে ডেলিভার করতে পারবেন না। কাজ তো দূরের কথা, এইরকম কাজে সফল হওয়ার আশা করা আর ঠান্ডা পানিতে ডিম সেদ্ধ দিয়ে বসে থাকা একই কথা। ফলাফল জিরো!

এবার একটু ভেবে দেখুন তো, আপনি ডাটা এন্ট্রি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন। আপনি কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ার পয়েন্ট এর কাজ ঠিকভাবে প্রফেশনালি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন?

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করবেন মোবাইলে! কোডিং করবেন কিভাবে ভাই? মোবাইলে কোড করে কম্পিউটারের জন্য ওয়েবসাইট বানানো স্বপ্নে ভাবাও পাপ হবে।

তেমনি এসইওর অনেক সেক্টর রয়েছে শুধু লেখালেখি করে এসইও করা সম্ভব নয়। এলগরিদম অনুযায়ী কাজ করা যাবেনা।

এপস ডেভেলপমেন্ট করার কথা চিন্তা করলেই পাপ হবে, বাপরে!

ভিডিও এডিটিং, আফটার ইফেক্টস এই ধরনের যে হাই ডিমান্ড কাজগুলো আছে, এগুলোও আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন না।

তাহলে মোবাইল দিয়ে কি করতে পারবো ভাই?

কন্টেন্ট রাইটিং এর কিছু কাজ আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন। যদি সেটা শুধু লিখার কাজ হয়। যদি লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনি সেটি করতে পারেন এবং অনলাইনে ইনকাম করার নানা উপায় থাকে যা আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে করতে পারেন। আপনি যদি চান কোন একটি ক্লায়েন্টের জন্য ব্লগিং করবেন। এটা কিন্তু আর্টিকেল রাইটিং এর মতই কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লেখালেখি।

কাস্টমার সাপোর্ট রিলেটেড যে কাজ গুলো রয়েছে সেগুলো আচ্ছা ফোন সাপোর্ট টেলিফোন হ্যান্ডেলিং. ট্রানস্ক্রিপশন,ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এরকম কাজগুলো কিন্তু চাইলে মোবাইল দিয়ে করা যায়।

স্যোশাল মিডিয়ার অল্প কিছু কাজ যেমন হ্যাশট্যাগ রিসার্চ, স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট এর কাজ মোবাইলে করতে পারবেন। তবে এইসব কাজের বাজেট এবং ভলিওম খুবই সীমিত। এবং মার্কেটপ্লেসে স্পেসিফিকভাবে এই কাজ গুলোও পাওয়াও দুষ্কর হবে।

মোদ্দা কথা হলো, ফ্রিল্যান্সিং কোনো ছেলেখেলা করার সেক্টর না। বিষয়টা এমন না যে পানিতে লেবু আর চিনি গুলিয়ে নিলাম, আর শরবত হয়ে গেলো। এটি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল একটি সেক্টর। তাই এই সেক্টরে আসতে হলে সেভাবেই তৈরি হয়ে আসতে হবে।
মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টিকে কিছু মানুষ খুব সস্তাভাবে উপস্থাপন করে। যদি আপনি গুগোল/ইউটিউবে সার্চ দেন মোবাইল দিয়ে কিভাবে আয় করা যায, মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করব ইত্যাদি লিখে যদি সার্চ করেন তাহলে দেখবেন হাজার হাজার রকম ভিডিও সামনে চলে আসবে। এগুলো বেশিরভাগই ভিডিওই কিন্তু spam. হয়তো বা তাদের দেওয়া কিছু কিছু সাইটগুলো থেকে সামান্য ইনকাম হলেও হতে পারে।

আদৌ কি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব বা এর সত্যতা কতটুকু তা নিয়ে আলোচনা করবো।

ফ্রিল্যান্সিং মানুষ মূলত কি নিয়ে করে? ডাটা এন্ট্রি এবং এছাড়া এপস ডেভেলপমেন্ট সহ নানা ধরণের কাজ করে থাকেন। এই কাজগুলোর চাহিদাও বেশি তাই অনেকেই এইসব মোবাইল দিয়ে করতে চায়।

এখন একটু ভেবে দেখুন তো, আপনি গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন। ফ্রিল্যান্সিং এর যারা ক্লায়েন্ট, মানে যারা আপনাকে কাজ দিবে, তারা ফাইল ডেলিভারি নিতে চাইবে EPS/ AI/PS ফরমেট এ। এর কোনোটাই আপনি মোবাইল এপস দিয়ে ডেলিভার করতে পারবেন না। কাজ তো দূরের কথা, এইরকম কাজে সফল হওয়ার আশা করা আর ঠান্ডা পানিতে ডিম সেদ্ধ দিয়ে বসে থাকা একই কথা। ফলাফল জিরো!

এবার একটু ভেবে দেখুন তো, আপনি ডাটা এন্ট্রি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন। আপনি কি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ার পয়েন্ট এর কাজ ঠিকভাবে প্রফেশনালি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন? আপনার ক্লায়েন্ট এর ডাটা প্রেজেন্টেশনের জন্য গ্রাফ বা চার্ট লাগবে, সেটা কি আপনি মোবাইল দিয়ে সুন্দরভাবে প্রেজেন্ট করতে পারবেন?

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করবেন মোবাইলে! কোডিং করবেন কিভাবে ভাই? মোবাইলে কোড করে কম্পিউটারের জন্য ওয়েবসাইট বানানো স্বপ্নে ভাবাও পাপ হবে।

তেমনি এসইওর অনেক সেক্টর রয়েছে শুধু লেখালেখি করে এসইও করা সম্ভব নয়। এলগরিদম অনুযায়ী কাজ করা যাবেনা।

এপস ডেভেলপমেন্ট করার কথা চিন্তা করলেই পাপ হবে, বাপরে!

ভিডিও এডিটিং, আফটার ইফেক্টস এই ধরনের যে হাই ডিমান্ড কাজগুলো আছে, এগুলোও আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন না।

তাহলে মোবাইল দিয়ে কি করতে পারবো ভাই?

কন্টেন্ট রাইটিং এর কিছু কাজ আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন। যদি সেটা শুধু লিখার কাজ হয়। যদি লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনি সেটি করতে পারেন এবং অনলাইনে ইনকাম করার নানা উপায় থাকে যা আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে করতে পারেন। আপনি যদি চান কোন একটি ক্লায়েন্টের জন্য ব্লগিং করবেন। এটা কিন্তু আর্টিকেল রাইটিং এর মতই কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লেখালেখি।

ট্রানস্ক্রিপশন,ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এরকম কাজগুলো কিন্তু চাইলে মোবাইল দিয়ে করা যায়।

স্যোশাল মিডিয়ার অল্প কিছু কাজ যেমন হ্যাশট্যাগ রিসার্চ, স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট এর কাজ মোবাইলে করতে পারবেন। তবে এইসব কাজের বাজেট এবং ভলিওম খুবই সীমিত। এবং মার্কেটপ্লেসে স্পেসিফিকভাবে এই কাজ গুলোও পাওয়াও দুষ্কর হবে।

মোদ্দা কথা হলো, ফ্রিল্যান্সিং কোনো ছেলেখেলা করার সেক্টর না। বিষয়টা এমন না যে পানিতে লেবু আর চিনি গুলিয়ে নিলাম, আর শরবত হয়ে গেলো। এটি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল একটি সেক্টর। তাই এই সেক্টরে আসতে হলে সেভাবেই তৈরি হয়ে আসতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button