বাংলাদেশরাজনৈতিক

হোমনায় ছাত্রলীগ নেতার উপর হামলা

কুমিল্লার হোমনা থানা কম্পাউন্ড ছাত্রলীগ নেতাদের রক্তে রঞ্জিত।

হোমনা থানায় ঢুকে দায়িত্বরত পুলিশের সামনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সরকার এবং ছাত্রলীগ কর্মী পলাশ মাহমুদ নামে দুইজনকে কুপিয়ে সন্ত্রাসীদের নজিরবিহীন রক্তাক্ত হামলা।

দুই দুর্ধর্ষ হামলাকারী ইয়াসিন এবং আলআমিন আটক!
হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি জনাব ফয়সাল সরকার এবং ওনার সহযোদ্ধা পলাশ এর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতি চান্দিনা উপজেলা ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।
হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি
রাজপথের সহযোদ্ধা মোঃ ফয়সাল সরকার ভাইয়ের উপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা করায় মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রলীগ ইউনিট এর পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি
এবং সন্ত্রাসীদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি
ফয়সাল সরকার ভাই তার সহযোদ্ধা পলাশ মাহমুদ ভাই উপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলায় হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এবং সন্ত্রাসীদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি কোন রাজনীতি করি না।কিন্তু ফয়সাল ভাই অনেক ভালো মনের মানুষ তার মধ্যে হিংসা নাই সে ছোট বড় সবার সাথে চলে। হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি জনাব ফয়সাল সরকার এবং ওনার সহযোদ্ধা পলাশ ভাইয়ের এর উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। আমি হোমনা থানা পুলিশ ভাইদের কে বলবো অতি শিগ্রই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার জন্য
ফয়সাল সরকার এবং হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় এমপি সেলিমা আহমাদ মেরীকে নিয়ে ইয়াসিন আল আমিন এবং সুমনের নেতৃত্বাধীন অন্যান্যরা ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দীর্ঘদিন ধরে কটুক্তি করে আসছে, কটুক্তি করার কারণে হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল সরকার প্রতিবাদ করে। এতে উত্তেজিত হয়ে একঘন্টা পর ইয়াসিন আলামিন সুমনের নেতৃত্বে ফয়সাল সরকারের বাড়িতে হামলা চালায় তাকে না পেয়ে বাড়িতে ভাংচুরসহ ফয়সালের বাবা মাসহ অন্যদের অশালীন ভাষায় গালাগালি করে।তারপর ইয়াসিন গ্রুপ জানতে পারে ফয়সাল থানায় আছে খবর পেয়ে দুঃসাহসিক বর্বরোচিত হামলা চালায় খোদ থানার ভিতরে!

সন্ত্রাসীরা হোমনা থানার ভিতরে ঢুকে কর্তব্যরত পুলিশের সামনে হামলা চালায়।ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল সরকারের ওপর হামলা দেখে হোমনা থানা পুলিশ কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে মূল গেট আটকে দিলে ভিতরেই আটক করা হয় ইয়াসিন এবং আল-আমিনকে! এসময় সুমন সহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মজিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান আবুল গ্রুপের ক্যাডার হিসাবে ইয়াসিন আলামিন সুমনরা হোমনার অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করাসহ এমপি বিরোধী এমপির উন্নয়ন বিরোধী এবং আওয়ামী সরকারের অর্জনকে ম্লান করে এমপির ভাবমূর্তিকে প্রশ্ন বিদ্বক করতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।

বিগত কয়েকমাস আগে হোমনা ঘাড়মোরা সড়কে গরু গাড়ি আটক করে চাদাবাজির ভিডিও ভাইরাল হয় এবং হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে আওয়ামী লীগের নেতাদের উপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে তাদের দেখা গেছে।এবং গত একুশে ফেব্রুয়ারি ২৬ মার্চ শহীদ বেদীতে সন্ত্রাসী হামলা প্রচেষ্টাসহ শহীদের অমর্যাদাকর বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার পিছনে এই সন্ত্রাসীরা জড়িত বলে হোমনা উপজেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন সূত্র বলছে এবং ভিডিও ফুটজে প্রমাণ রয়ে গেছে!

এতোবড় একটি ঘটনার পরেও হোমনা উপজেলা প্রেসক্লাবসহ সব সাংবাদিকরা সন্ত্রাসীদের ভয়ে অথবা আবুল মজিদের টাকায় তাৎক্ষণিক বিক্রি হয়ে রিপোর্টটি না করে কাপুরুষতার পরিচয় দিয়েছে! নিশ্চিতরূপে হোমনার সাংবাদিকদের জন্য এটি লজ্জাকর এবং অপমানজনক।
হোমনায় ছাত্রলীগ সভাপতির উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত, গ্রেফতার -২

(কুমিল্লা) হোমনা প্রতিনিধি
কুমিল্লা হোমনা উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ফয়সাল সরকার এর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ,যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ। অংগসমূহের সবাই
বুধবার সকাল ১০ টায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম,পৌর যুবলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম প্রিন্স, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসোন ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ফোরকানুল ইসলাম পলাশ, যুবলীগ নেতা সৈয়দ মেহেদী হাসান, মাইনুল সরকার,তরিকুল ইসলাম পিয়াস, তসলিম সরকার রুবেল,ছাত্রলীগ নেতা শান্ত খন্দকার, মাহফুজুল ইসলাম সহ শতাধিক নেতাকর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় হোমনা থানায় মামলা হলে মো. ইয়াসিন ও আলামিন নামের দুইজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে পুলিশ। ইয়াসিন ও আলামিন উপজেলা শ্রীমদ্দি গ্রামের মরহুম আবদুল্লাহ ও হোমনা পৌর সভার ৩ নং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ফাতেমা বেগমের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, গতকাল মঙ্গলবার বিকালে হোমনা বাস ষ্ট্যান্ড এলাকায় ফেইজবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল সরকার ও যুবলীগ নেতা ইয়াসিনের মাঝে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।এর জের ধরে বিকাল ৪-৩০ মিনিটে ইয়াসিনের মামার বাড়ির লোকজন নিয়ে ফয়সাল সরকারের বাড়িতে গেলে সেখানে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ফয়সাল সরকারের বাইক ভাংচুর সহ তার মা আহত হয়। পরে সন্ধ্যায় ফয়সাল সরকার মামলা করতে থানায় যাওয়ার পথে ইয়াসিন তার দলবল নিয়ে ফয়সাল সরকারের উপ আক্রমন করে। এতে ফয়সাল সরকার ও তার বন্ধু পালাশ আহত হয়। আহতদের হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হোমনা থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button